পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’র পরিচিতি

যে মাটিতে জন্ম আমার জাগায় প্রাণের আশা,
শো’বো আমি সে মাটিতেই আমার প্রাণের পাংশা।
গন্ধে আমার মন ভরে না কিসের গোলাপ বেলী,
প্রাণ জুড়িয়ে দেয় যে আমার প্রিয় কালুখালী।

সহস্র সমস্যার চাদরে ঢাকা সময়ের প্রতিক্ষণকে উপেক্ষা করে যাঁদের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় প্রকাশিত হল “চন্দনা”র বিশেষ সংখ্যা তাঁদের প্রতি রইল আমার অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা।

ঝড়ের পরে বিদ্ধস্থ বুকে যখন নতুন করে গড়ার স্বপ্ন চূর্ণ করেছিল, যখন প্রবল বন্যার পর অশ্রুসিক্ত নেত্রের নিত্য আহাজারীতে বাতাস ভারী হয়েছিল, অভূক্ত শিশুর গগণ বিদারী কান্নায় প্রকৃতির নির্মম আচরণকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল, ১৯৮০ সালের সেই অসময়ে, সময়ের দাবি নিয়ে তৎকালীন পাংশার যে কৃতিরা এই প্রতিকূলতাকে পরাজিত করার প্রত্যয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছিল তাঁদের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাচ্ছি। মানব সেবার মহৎ কর্মের এই রুপকাররা সেদিনের অনিবার্যতায় গঠন করেছিলেন পাংশা ত্রাণ কমিটি নামে একটি সংগঠন। সেই থেকে শুরু।

অত্র সমিতির ৩৯তম বসন্তের উষালগ্নে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যাঁরা শুরু থেকে ও বিভিন্ন সময় হতে অদ্যাবধি সমিতির সাথে আছেন। সেই সাথে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সমিতির অনুরাগী ও সদস্যদের যাঁদেরকে আমরা হারিয়েছি। তাঁদের দেখানো পথ ও পাথেয় থাকবে আমাদের নিত্যদিনের নিরলস চেষ্টা।

“চন্দনা”র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের জন্য যাঁরা লেখা, বিজ্ঞাপন, আর্থিক অনুদান, বৃত্তি, মূল্যবান উপদেশ, সময় ও অনুপ্রেণা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাঁদেরকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। আমন্ত্রিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, সম্মানিত উপদেষ্টা পরিষদ, পৃষ্ঠপোষকবৃন্দ, কার্যনির্বাহী পরিষদ, আজীবন ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ, প্রেসের স্বত্ত্বাধিকারী ও কর্মচারীবৃন্দ বিশেষ করে যাঁদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া “চন্দনা” প্রকাশনা মোটেই সম্ভবপর ছিলনা তাঁদের সবাইকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।

‘চন্দনা’র নতুন অবয়বের শ্রীবৃদ্ধি ও প্রায় নির্ভুল প্রকাশে সময়োপযোগী সুপরামর্শ ও সঠিক নির্দেশনা দেবার জন্য সমিতির সম্মানিত সভাপতি খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান স্যারকে অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

স্মরণিকা উপ-কমিটির আহ্বায়ক আমার পরমপ্রিয় প্রখর প্রজ্ঞাবান অধ্যক্ষ (অব.) মো. হাবিবুর রহমান যিনি শত ব্যস্ততার মধ্যেও স্মরণিকার প্রচ্ছদ থেকে সমাপ্তি বিন্দু পর্যন্ত প্রতি পরতে পরতে রয়েছে যাঁর নিজস্ব পরিকল্পনা, তীক্ষè দৃষ্টি, নিরলস প্রচেষ্টা ও মূল্যবান উপদেশ তাঁকে বিশেষভাবে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। সেই সাথে, মঞ্জুর কাদীর যিনি অত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক, যার চওড়া কাঁধে চড়িয়েছেন সমিতির প্রায় পুরো ভার। তাঁর অক্লান্ত শ্রম ও অমূল্য সময় দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।

সেই সাথে ছাত্রবৃত্তি উপ-কমিটির সম্মানিত আহ্বায়ক আমার পিতৃতুল্য অধ্যাপক, লেখক ও দক্ষ সংগঠক এস.এম আজিজুর রহমান যাঁর নিরলস কর্মযজ্ঞে ছাত্রবৃত্তি সংক্রান্ত সকল কাজ পেয়েছে বড় বেগ, সব্যসাচী এ সর্বজনাবের প্রতি রইলো আমার নিযুত ভক্তি এবং সম্পাদনা পরিষদের অন্যতম সদস্য শ্রদ্ধেয় এন. এ. এম. ইফতেখার (রফিক) ও ড. মো. নিহাল উদ্দিন স্যারের প্রতি রইলো বিশেষ কৃতজ্ঞতা।

পরিশেষে সম্মানিত লেখক, পাঠক-পাঠিকা ও সুধীবৃন্দকে সবিনয় জানাচ্ছি, অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সময়ের স্বল্পতা, আমাদের সীমিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার মধ্যেও যথাসময়ে স্মরণিকাটি আপনাদের হাতে পৌঁছে দিতে পেরেছি এর সবটুকু কৃতিত্ব ও সফলতা আপনাদের। আমাদের অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি ও ভুল-ভ্রান্তির জন্য আপনাদের ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি কামনা করছি।

নিরন্তর শুভেচ্ছা সবাইকে।