ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দের বাণী

প্রধান অতিথির বাণীঃ

‘পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি ঢাকা’র উদ্যোগে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান এবং পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।
পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমিতির উদ্যোগে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। জেলার বরেণ্য ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান, অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি এবং স্বর্ণপদক প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন সকলের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। আমি আশা করি, উপজেলাবাসীর কল্যাণে এ ধরনের জনকল্যাণকর কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
আমি পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ছাত্র-বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি এবং সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের সংগে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি।

মোহাম্মদ আবু হেনা
প্রাক্তন সচিব, রাষ্ট্রদূত ও
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার

 

বিশেষ অতিথির বাণীঃ

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান এবং পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ জন্য আমি সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।
সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যায় উপজেলার খ্যাতিমান ব্যক্তিদের সম্পর্কে স্মৃতিচারণ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনকাহিনী, উপজেলার শিল্প-সাহিত্য ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের উপর প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, রম্য রচনা ইত্যাদি প্রকাশের মাধ্যমে উপজেলার অজানা সাহিত্যকর্মীদের উৎসাহিত করা হবে। এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
এ সমিতি বিভিন্ন সেবামূলক সংগঠনের মতোই অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান, দুঃস্থ ও অসহায়দের সহায়তাদান, বরেণ্য ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান প্রভৃতি সৃজনশীল ও জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছে।
আমি পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান এবং সমিতির উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণকর কাজের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশনার সংগে যুক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

প্রকৌশলী এ.কে.এম. রফিকউদ্দিন
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালটেন্টস (ডি.ডি.সি) লি.

 

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান এবং পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ হতে যাচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এ উপলক্ষে সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
ঢাকায় বসবাসকারী পাংশা-কালুখালী উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমঞ্চ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে ‘পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি’। জন্মলগ্ন থেকে প্রায় ৩৯ বছর ধরে এ সমিতি বিভিন্ন ধরনের বিনোদন ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। জেলার গুণীজন ও কৃতী সন্তানদের সংবর্ধনা প্রদান, অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান, জেলার নবীন ও প্রবীণ সাহিত্যানুরাগীদের সাহিত্যকর্মে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’ প্রকাশসহ বিভিন্নভাবে সমিতির কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এ সকল কার্যক্রম সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ সমিতির এ সকল সামাজিক কার্যক্রমসহ উপজেলাবাসীর উন্নয়নে আরো সেবামূলক কর্মকা- পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন।
আমি সমিতির সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই এবং ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

মো. জিল্লুল হাকিম
জাতীয় সংসদ সদস্য, রাজবাড়ী-২

 

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ও অসচ্ছল ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান এবং পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ জন্য আমি সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।
পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এ সমিতি জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান, অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে যা সকলের কাছে সমাদৃত হয়ে আসছে। আমি আশা করি, উপজেলাবাসীর কল্যাণে এ ধরনের জনকল্যাণকর কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
আমি পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বৃত্তিপ্রদান এবং এ সমিতির উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণকর কাজের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন
জাতীয় সংসদ সদস্য
মহিলা আসন-৪০

 

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ও অসচ্ছল ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান এবং পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ জন্য আমি সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।
পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এ সমিতি জেলার বরেণ্য ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান, অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান, বার্ষিক বনভোজন আয়োজনসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে যা সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সমাদৃত হয়ে আসছে। আমি আশা করি, উপজেলাবাসীর কল্যাণে এ ধরনের জনকল্যাণকর কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
আমি পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান এবং এ সমিতির উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণকর কাজের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশনার সংগে যুক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

কে.এম. আকতারুজ্জামান
চেয়ারম্যান, আকতার গ্রুপ

 

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ও অসচ্ছল ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান এবং পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ জন্য আমি সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।
পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এ সমিতি জেলার বরেণ্য ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান, অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান, বার্ষিক বনভোজন আয়োজনসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে যা সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সমাদৃত হয়ে আসছে। আমি আশা করি, উপজেলাবাসীর কল্যাণে এ ধরনের জনকল্যাণকর কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
আমি পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদানসহ বিভিন্ন জনকল্যাণকর কাজের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

মো. রাশিদুল ইসলাম
(অতিরিক্ত সচিব)
চেয়ারম্যান
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ

 

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ও অসচ্ছল ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান এবং পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ জন্য আমি সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।
পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। এ সমিতি জেলার বরেণ্য ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান, অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান, বার্ষিক বনভোজন আয়োজনসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে যা সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সমাদৃত হয়ে আসছে। আমি আশা করি, উপজেলাবাসীর কল্যাণে এ ধরনের জনকল্যাণকর কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
আমি পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বৃত্তিপ্রদান এবং এ সমিতির উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণকর কাজের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

রাম চন্দ্র দাস
(অতিরিক্ত সচিব)
বিভাগীয় কমিশনার
বরিশাল বিভাগ

 

সভাপতির শুভেচ্ছা বার্তাঃ

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি’ দু’টি উপজেলার সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রচনায় সুদীর্ঘ চার দশক ধরে বিশেষ ভূমিকা পালন করে চলেছে। আমাদের প্রিয় এই সংগঠন সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে তাদের বৃত্তি প্রদান, দুর্গতদের সহায়তাদান এবং বিভিন্ন জনকল্যাণকর কার্যক্রম পরিচালনার মধ্য দিয়ে এ-অঞ্চলের সামাজিক অগ্রগতিতে তাৎপর্যময় অবদান রাখছে। সমিতির নিয়মিত প্রকাশনা ‘চন্দনা’ পাংশা-কালুখালীর শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সুদীর্ঘ ঐতিহ্যময় ইতিহাসের পরম্পরা বহন করে চলেছে।
সমিতির সকল সদস্য আজ অভূতপূর্ব উৎসাহ-উদ্দীপনা ও কর্মস্পৃহায় উজ্জীবিত। আমাদের প্রত্যাশা, সকলের নিরন্তর সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি এ-অঞ্চলের সার্বিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে এবং সমিতির জনহিতকর কার্যক্রমের পরিধি আরও অনেক প্রসারিত হবে।

খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান
সভাপতি, পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা
ও প্রাক্তন সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

আহ্বায়কের কথাঃ

পাংশা-কালুখালী সমিতি, ঢাকা হাটি হাটি পা পা করে ৩৯ বছরে পদার্পণ করেছে। ১৯৮০ সালে ভয়াবহ বন্যায় পাংশা ও কালুখালী উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম যখন পাানিতে নিমজ্জিত, পাংশা-কালুখালীর জনগণ যখন খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ঔষধ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাবে দিশেহারা, ঠিক তখন ঢাকায় প্রবাসী বৃহত্তর পাংশা উপজেলার কয়েকজন মহৎ ব্যক্তির প্রচেষ্টায় গঠিত হয়েছিল ‘পাংশা থানা ত্রাণ কমিটি’। পরবর্তীকালে সেটিই আত্মপ্রকাশ করে আমাদের সবার প্রিয় স্বেচ্ছাসেবী ও জনকল্যাণমূলক সংগঠন ‘পাংশা উপজেলা সমিতি’- যার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন পাংশার কৃতি সন্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন যুগ্মসচিব ও ভূমি প্রশাসন বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মরহুম আকবর হোসেন। বর্তমানে পাংশা উপজেলা পাংশা ও কালুখালী নামে দু’টি উপজেলায় বিভক্ত হওয়ায়, ঢাকাস্থ পাংশা উপজেলা সমিতি রূপান্তরিত হয়েছে ‘পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’ নামে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে অনেক বাধা-বিঘ্ন, সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে ঢাকা শহরে সগৌরবে টিকে আছে এ সমিতি-যার আজীবন সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০০। ইতোমধ্যে আমরা সমিতির বেশ কয়েকজন সদস্যকে হারিয়েছি, বিশেষ করে সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আকবর হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মরহুম এন.এ.এম এস্কেন্দার, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মরহুম কাজী আলী আহমেদ, সাবেক সভাপতি মরহুম প্রকৌশলী সেরাজুল মজিদ মামুন, সাবেক সহ-সভাপতি অধ্যাপক আব্দুর রব এবং সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম-যাঁরা ছিলেন সমিতির পথ প্রদর্শক। সমিতিতে তাঁদের অবদান আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।
মেধাবী ও অসচ্ছল ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি ঢাকা মহানগরীতে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের পারিবারিক, সামাজিক, আঞ্চলিক এবং রাজনৈতিক পরিচিতির উর্দ্ধে উঠে একে অপরের সঙ্গে আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালবাসা, বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মিলন ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে এ সমিতি।
পাংশায় সমিতির ছাত্র-বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র ২য় বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হচ্ছে। ‘চন্দনা’ প্রকাশের মাধ্যমে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং পাংশা ও কালুখালীর কালজয়ী কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব সর্বজনাব ইয়াকুব আলী চৌধুরী, কাজী আব্দুল ওদুদ, ড. কাজী মোতাহার হোসেন, কাজী আবুল হোসেন, শিল্পী রশিদ চৌধুরী প্রমুখদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিম-লের অবদান পাংশা ও কালুখালী উপজেলার তথা বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছি। বর্তমানেও জনাব মোহাম্মদ আবু হেনা, ড. কে. এম. মোহসিন, প্রকৌশলী এ.কে.এম. রফিকউদ্দিন, জনাব মোতাহার হোসেনসহ অনেক বরণীয় ব্যক্তিত্ব আমাদের মাঝে আছেন-যাঁদের আদর্শ আমাদের তরুণদের সত্যাশ্রয়ী, নিষ্ঠাবান ও উদ্যোগী করে স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে সফল করে তুলবে-এ প্রত্যাশা আমরা করতে পারি।
পাংশায় সমিতির ছাত্র বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যবস্থা ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় সাংসদ জনাব মোঃ জিল্লুল হাকিমের প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করছি। যে সমস্ত লেখকের মূল্যবান লেখায় চন্দনার এই বিশেষ সংখ্যা সমৃদ্ধ হয়েছে তাঁদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। যাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা নতুন আঙ্গিকে চন্দনা প্রকাশে বিশেষভাবে সহায়তা করেছে তিনি হলেন সমিতির সম্মানিত সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব খোন্দকার মোঃ আসাদুজ্জামান। আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
পাংশায় ছাত্র বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং এ উপলক্ষে ‘চন্দনা’র ২য় বিশেষ সংখ্যা প্রকাশে যার অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি হলেন আমাদের সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ মঞ্জুর কাদীর। আমি তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
স্মরণিকা প্রকাশে বিভিন্নভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করার জন্য স্মরণিকা উপ-কমিটির সদস্য জনাব এন.এ.এম ইফতেখার রফিক, এস.এম আজিজুর রহমান, ড. মোঃ নিহাল উদ্দিন ও সম্পাদক মোঃ তুহিনুর রহমানসহ সকল সদস্যকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ব্যতীত এমন পরিচ্ছন্ন আকারে ‘চন্দনা’র ২য় বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ সম্ভব হতো না।
‘চন্দনা’ ছাপার কাজে মূল্যবান পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য আগামী প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং কোং-এর স্বত্ত্বাধিকারী শাহীন আহম্মেদকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যথাসময়ে নির্ভুল আকারে স্মরণিকা প্রকাশ একটি কঠিন কাজ। এতে ভুলক্রুটি থাকা অস্বাভাবিক নয়। এ জন্য সবার ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং সমিতির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’র ২য় বিশেষ সংখ্যা আপনাদের সমীপে নিবেদন করছি।

মো. হাবিবুর রহমান
আহ্বায়ক
স্মরণিকা উপকমিটি ২০১৯

 

অনুষ্ঠান আহ্বায়কের বক্তব্যঃ

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা, কর্তৃক আয়োজিত পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত মেধাবী ও অসচ্ছল ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান ও এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি জনাব খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান; অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবু হেনা; বিশেষ অতিথি প্রকৌশলী একেএম রফিকউদ্দিন, রাজবাড়ী-২ এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মো. জিল্লুল হাকিম; খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন, জাতীয় সংসদ সদস্য মহিলা আসন-৪০; সমিতির সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব কে.এম. আকতারুজ্জামান; জনাব মোঃ রাশিদুল ইসলাম চেয়ারম্যান, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ; জনাব রাম চন্দ্র দাস বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বিভাগ; জনাব মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক, রাজবাড়ী; জনাব আসমা সিদ্দিকা মিলি, বিপিএম, পিপিএম, পুলিশ সুপার, রাজবাড়ী; জনাব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাংশা এবং কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব কামরুন নাহারসহ সভায় উপস্থিত সবাইকে আমি চৈত্র মাসের এই অপরাহেœ শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছি।
প্রিয় সুধীবৃন্দ,
আপনারা জানেন ১৯৮০ সালে এ সমিতি যাঁদের হাতে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আকবর হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মরহুম এন.এ.এম. এস্কেন্দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মরহুম কাজী আলী আহমদ, অধ্যাপক আব্দুর রবসহ অনেকেই ইন্তেকাল করেছেন। তাঁরা আজ আর আমাদের মাঝে নেই তাঁদেরকে আমার গভির শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
সম্মানিত সুধীম-লী,
সমিতি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন ধরনের সমাজসেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করা হয়ে থাকে। এ সকল কর্মকা-ের মধ্যে রয়েছে বন্যার্তদের সাহায্য, অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান, সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ছাত্রদের স্বর্ণপদক প্রদান, অসহায় ও দুস্থদের সাহায্য এবং বার্ষিক বনভোজনসহ নানা ধরনের জনহিতকর কর্মকা- পরিচালনা করা। এ সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করতে যেয়ে আমাদের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। এ সকল অর্থ আপনাদের মত দানশীল ব্যক্তিবর্গসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ দিয়ে থাকেন। এ জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যসহ আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাছাড়া, যাঁরা ছাত্র-বৃত্তি এবং বিজ্ঞাপন দিয়ে সাহায্য-সহযোগিতা করে করেছেন সমিতির পক্ষ থেকে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
সুধীম-লী,
গরিব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান সমিতির মহৎ ও সেবামূলক কর্মকান্ডের মধ্যে অন্যতম। আমরা এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আজ প্রায় ১০৫ জন ছাত্র-ছাত্রীকে ৩,০০০ টাকা করে ৩,১৫,০০০ টাকার বৃত্তি প্রদান করা হবে এবং সমিতির অন্যতম পৃষ্ঠপোষক মেজর (অব.) জুলফিকার হোসেন চৌধুরীর আর্থিক সহযোগিতায় তার পিতা মরহুম খাঁন বাহাদার ইউসুফ হোসেন চৌধুরী ও মাতা মরহুমা শিরিন চৌধুরীর স্মরণে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত একজন ছাত্র ও একজন ছাত্রীকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হবে। এ জন্য সকল বৃত্তিদাতা এবং স্বর্ণপদক প্রদানকারীর প্রতি সমিতির সকলের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আজ যারা বৃত্তি পাচ্ছ- তাদেরকে অভিনন্দন, তবে তোমাদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, তোমরা ভালোভাবে লেখাপড়া করে নিজেদেরকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে এবং বড় হয়ে দেশের নেতৃত্ব দিবে। পাংশা-কালুখালীর কী করে উন্নতি করা যায়, আমাদের প্রিয় জেলার কী করে উন্নতি করা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করবে। আজ আপনাদের হাতে একটি স্মরণিকা দেয়া হবে এ স্মরণিকায় যাঁরা বিভিন্ন ধরনের লেখা দিয়ে স্মরণিকাটি সমৃদ্ধ করেছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ বিশেষ করে স্মরণিকা উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান ও সদস্য-সচিব, ছাত্রবৃত্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এসএম আজিজুর রহমান ও সদস্য-সচিবসহ অন্যান্য সকল কমিটির সদস্যদের আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এ ধরনের একটি আয়োজন করার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল সদস্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তাঁদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং পরিশ্রমের ফলে এ অনুষ্ঠান সুন্দর হয়েছে এ জন্য সাধারণ সম্পাদক মো. মঞ্জুর কাদীর এবং আয়োজক কমিটির সদস্য-সচিবসহ কমিটির সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সুধীম-লী,
আমাদের এই অনুষ্ঠান সফল করার জন্য আমাদের সুযোগ্য সভাপতি খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান তার শত ব্যস্ততার মাঝেও আমাদেরকে দিক-নিদেশনা দিয়ে সকল বিষয়ে সাহায্য করেছেন এই জন্য তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা জানাই উপ-কমিটির সকল আহ্বায়ক, যুগ্ম-আহ্বায়ক ও সকল সদস্যকে।
সুধীম-লী,
আমার বক্তব্য দীর্ঘায়ীত করব না, তবে শেষ করার আগে উপস্থিত সম্মানিত অতিথিবৃন্দের কাছে একটা আবেদন জানাব যে, সমিতির বয়স প্রায় ৪০ বছর হতে চলেছে অথচ আমরা সমিতির একটা অফিস করতে পারিনি এটা আমাদের ব্যর্থতা। তাই একটি অফিসগৃহ ক্রয়ের জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি পাশাপাশি সমিতির একটি বৃত্তি ফা- গঠনের জন্য আপনাদের সাহায্য কামনা করছি। আমরা বিশ^াস করি, আমাদের এ সমিতির পথচলা যত কষ্টসাধ্যই হোক না কেন আমাদের সকলের প্রচেষ্টা ও ঐকান্তিক উদ্যোমের মাধ্যমে আমরা আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে। আমাদের চলার পথে আপনাদের সকলের সার্বিক সহযোগিতা আমাদের সমাজসেবামূলক কর্মকান্ড সহজসাধ্য করবে এবং আমরা সাফল্যের মোহনায় উপনীত হবো ইনশাল্লাহ্।
এটা স্বাধীনতার মাস। অনেক শহিদের রক্তে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। আমার বড় ভাই শহিদ ডাঃ লেঃ কর্নেল জাহাঙ্গীর কুমিল্লা সেনা নিবাসে ৩০ মার্চ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী মিলিটারী দ্বারা শহিদ হন। আমরা তার ও সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিল্পকলার সম্পাদক ও মঞ্জুর কাদের মাসুদ-কে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ঢাকা থেকে পাংশা এসে অনুষ্ঠান করতে আসায় আমাদের ভুলত্রুটি থাকতে পারে। আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পরিশেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি এবং সমাগত সুধিবৃন্দ আপনাদের আবারও ধন্যবাদ ও স্বাগত জানিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

এন.এ.এম. ইফতেখার (রফিক)
সহ-সভাপতি ও
আহ্বায়ক, অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটি ২০১৯

 

সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যঃ

পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা কর্তৃক পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত মেধাবী ও অসচ্ছল ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান ও এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন সচিব জনাব খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবু হেনা; বিশেষ অতিথি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী প্রকৌশলী একেএম রফিকউদ্দিন, আমাদের সবার প্রিয় এবং গণমানুষের সুযোগ্য প্রতিনিধি রাজবাড়ী-২ এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মো. জিল্লুল হাকিম; খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন, জাতীয় সংসদ সদস্য মহিলা আসন-৪০; বিশিষ্ট শিল্পপতি আকতার গ্রুপ চেয়ারম্যান জনাব কে.এম. আকতারুজ্জামান; জনাব মোঃ রাশিদুল ইসলাম (অতিরিক্ত সচিব), চেয়ারম্যান, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ; জনাব রাম চন্দ্র দাস (অতিরিক্ত সচিব), বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বিভাগ; জনাব মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক, রাজবাড়ী; জনাব আসমা সিদ্দিকা মিলি, বিপিএম, পিপিএম, পুলিশ সুপার, রাজবাড়ী; জনাব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাংশা এবং জনাব কামরুন নাহার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কালুখালী। উপস্থিত সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, উপদেষ্টা পরিষদের শ্রদ্ধেয় সদস্যবৃন্দ, কার্যনির্বাহী পরিষদের সম্মানিত সদস্যগণ, শিক্ষার্থী বন্ধুগণ এবং উপস্থিতি সুধীম-লী সবাইকে জানাই অগ্নিঝরা মার্চের রক্তিম শুভেচ্ছা।
মার্চ মাস আমাদের স্বাধীনতার মাস। আজ থেকে ৪৮ বছর আগে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে এ দেশের আপামর জনসাধারণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। শিক্ষার্থী বন্ধুগণ, তোমরা মুক্তিযুদ্ধ দেখোনি, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের দেখেছো। আজকের এ অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি মাননীয় সংসদ সদস্যসহ এ অনুষ্ঠানে অনেকেই আছেন যাঁরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁদের কাছ থেকে তোমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুনবে। মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর উপর যে সকল গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে সেগুলি পড়বে, তাহলে এ দেশ এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসার স্বাদ গ্রহণ করতে পারবে। এভাবে একদিন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হবে এ দেশটা। তোমাদের কাছে আমাদের এ প্রত্যাশা রইল।
সমবেত সুধীম-লী,
আপনারা জানেন, দীর্ঘ প্রায় চার দশক পূর্বে ১৯৮০ সালে ঢাকায় বসবাসরত তৎকালীন পাংশা উপজেলার কিছু মহান ব্যক্তির আন্তরিক প্রচেষ্টায় জন্ম হয়েছিল পাংশা থানা ত্রাণ কমিটি, আজ যেটি ‘পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকা’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এ সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তাঁদের শ্রদ্ধাভরে আমরা স্মরণ করি। তাঁদের মধ্য থেকে যাঁরা চিরদিনের জন্য আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছেন তাঁদেরকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি এবং তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
সম্মানিত সুধীম-লী,
প্রায় চার দশক ধরে এ সমিতির মাধ্যমে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ সকল কর্মকা-ের মধ্যে রয়েছে বন্যার্তদের সহায়তাদান, অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তিপ্রদান, স্বর্ণপদক প্রদান, অসহায় ও দুস্থদের সাহায্য, বরেণ্য ব্যক্তিদের সংবর্ধনা, প্রীতি সম্মেলন এবং বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করা। এ সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হয় মূলত আপনাদের মত সুধীজনদের অনুদান এবং অনুপ্রেরণায়। আমরা যখন এ ধরনের আয়োজন করে থাকি তখন সমিতির মুখপত্র ‘চন্দনা’ প্রকাশ করা হয়। এ মুখপত্রটিতে পাংশা ও কালুখালী উপজেলাসহ রাজবাড়ী জেলার খ্যাতিমান ব্যক্তিদের লেখা যেমন প্রকাশিত হয়, তেমনিভাবে নবীন সাহিত্যিকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, রম্যরচনা ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আপনাদের হাতে দেখতে পাচ্ছেন ‘চন্দনা’র সপ্তদশ সংখ্যা এবং অদ্যকার প্রকাশিত ‘চন্দনা’র বিশেষ সংখ্যা-২।
সুধীম-লী,
সমিতির মহৎ ও জনকল্যাণমূলক কাজের মধ্যে অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বৃত্তিপ্রদান অন্যতম। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পাংশা ও কালুখালীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১০৫ জন ছাত্রছাত্রীকে ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা করে ৩,১৫,০০০ (তিন লক্ষ পনের হাজার) টাকা বৃত্তিপ্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া সমিতির পৃষ্ঠপোষক মেজর (অব.) জুলফিকার হোসেন চৌধুরীর আর্থিক সহায়তায় তাঁর পিতা মরহুম খান বাহাদুর ইউসুফ হোসেন চৌধুরী ও মাতা মরহুমা শিরিন চৌধুরীর স্মরণে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে ২০১৭ সনে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং ২০১৮ সনের এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত একজন ছাত্র ও একজন ছাত্রীকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হচ্ছে। এ জন্য তাঁর প্রতি সমিতির সকলের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যে সকল শিক্ষার্থী বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছো এবং এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার জন্য যারা স্বর্ণপদক পেয়েছো, তোমাদের সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। পাশাপাশি তোমাদের প্রতি আমাদের প্রত্যাশা, সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রকৃত মানুষ হবে এবং দেশ ও জাতি গঠনে নিজেদেরকে নিয়োজিত করবে। তোমরা কিন্তু দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশ তোমাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে। আমাদের প্রত্যাশা তোমাদের দিয়ে সে স্বপ্ন পূরণ হবে।
সুধীম-লী,
আপনারা জেনে খুশি হবেন আগামী বছর সমিতির বয়স ৪০ বছর পূর্ণ হবে। আমরা আপনাদের সকলকে সাথে নিয়ে ২০২০ সনে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমিতির ৪০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান করব, ইনশাল্লাহ। এ জন্য আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। সমিতির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ডি.ডি.সি. লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ.কে.এম. রফিকউদ্দিন, আকতার গ্রুপের চেয়ারম্যন জনাব কে.এম. আকতারুজ্জামান অব্যাহতভাবে সমিতিতে অর্থ ও বিজ্ঞাপন দিয়ে সহায়তা করে আসছেন, এজন্য তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাছাড়া, রাজবাড়ী-২ এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মো. জিল্লুল হাকিম এর প্রতি আমরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ এজন্য, যখনই সমিতি কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে তখনই তাঁর সহায়তার হাত আমাদের দিকে প্রসারিত হয়ে থাকে। তাঁদেরসহ যে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অর্থ ও বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সমিতির কর্মকা- পরিচালনায় সহায়তা করে থাকেন তাঁদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।
সমাগত সুধীবৃন্দ,
যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজকের এ অনুষ্ঠানসহ বিগত সব অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে তাঁদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। স্বতঃস্ফুর্ত সমর্থন ও নিরন্তর সহযোগিতার জন্য বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যাঁর স্নেহধন্যে আমি সমিতির সাধারণ সম্পাদকের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার সাহস পেয়েছি, তিনি হলেন সমিতির শ্রদ্ধাভাজন সভাপতি। তাঁর সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কাজ করতে যেমন আনন্দ পেয়েছি তেমনি সমিতির জনহিতকর কর্মকা- বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করি।
সুপ্রিয় সুধীম-লী,
আপনাদের হাতে যে দু’টি প্রকাশনা দেখতে পাচ্ছেন এ অনবদ্য স্মরণিকা প্রকাশের জন্য স্মরণিকা কমিটির আহ্বায়ক এবং সদস্য-সচিবসহ কমিটির সকল সদস্যের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ছাত্রবৃত্তি উপকমিটির আহ্বায়ক এবং সদস্য-সচিবসহ কমিটির সকল সদস্য এবং যাঁরা বৃত্তির টাকা দিয়ে এ ধরনের একটি কর্মকা-কে সাফল্যম-িত করেছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শেষে মাননীয় সংসদ সদস্যের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের স্বনামধন্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আমি আশা করি এ অনুষ্ঠানটি আপনাদের ভাল লাগবে। এ ধরনের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সুধীম-লী,
আমার বক্তব্য দীর্ঘায়িত করব না। যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এ অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে তাঁদের আবারও কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে স্থানীয় প্রশাসনের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাগণের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। পাংশা শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃপক্ষকে এ মিলনায়তনে অনুষ্ঠান করার সুযোগ করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজকের অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি মহোদয়ের বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা এবং সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এ ধরনের একটি সুশৃঙ্খল অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে এজন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সম্মানিত সভাপতি, আপনার মাধ্যমে আজকের এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিদেরকে আমাদের মাঝে পাওয়ার জন্য তাঁদের প্রতি আবারও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সবাইকে আবারও অসংখ্য ধন্যবাদ।

মো. মঞ্জুর কাদীর
সাধারণ সম্পাদক
১৫ চৈত্র ১৪২৫, বঙ্গাব্দ
২৯ মার্চ ২০১৯, খ্রিস্টাব্দ